ষষ্ঠ শ্রেণি কর্ম-অনুশীলন গাইড ও নোট

Class 6 Guide & Notes
286

মুখস্থনির্ভর মূল্যায়ন ব্যবস্থার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা এবং তাদের আগ্রহ, কৌতূহল ও ভালো লাগার জগতকে বিকশিত করার জন্য ধারাবাহিক মূল্যায়ন অতীব জরুরি বিষয়। জাতীয় শিক্ষানীতি- ২০১০ ও নতুন শিক্ষাক্রমে ধারাবাহিক মূল্যায়নের এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পাঠ্যপুস্তকগুলোতে কর্ম-অনুশীলন অংশে ধারাবাহিক মূল্যায়নের জন্য কিছু নমুনা কর্মপত্র উল্লেখ করা হয়েছে। এসব কর্মপত্রের মধ্যে বেশ কিছু কাজের উল্লেখ আছে যার ভিতর দিয়ে শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ রয়েছে; বিনোদনের ভিতর দিয়ে তাদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ থাকছে এবং বাচনকলা থেকে শুরু করে সৌন্দর্যবোধ, ন্যায়পরায়ণতা, বিজ্ঞানমনস্কতা, মানবিকতাবোধ, শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা, অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ ইত্যাদি বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। অর্থাৎ বিদ্যালয়ভিত্তিক মূল্যায়নের যে দক্ষতাগুলোর সঙ্গে শিক্ষকগণ ও শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে পরিচিত হয়েছেন, সেই চিন্তন দক্ষতা, সমস্যা-সমাধান দক্ষতা, যোগাযোগ দক্ষতা (মৌখিক ও লিখিত), ব্যক্তিক দক্ষতা, সামাজিক দক্ষতা ও সহযোগিতামূলক দক্ষতা বিকাশের নিশ্চয়তার আলোকে মূল্যায়ন করাই এই পর্বের উদ্দেশ্য। শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসব দক্ষতার বিকাশ ঘটলে তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এবং পরিবর্তিত পরিবেশ-পরিস্থিতি সাফল্যের সঙ্গে মোকাবেলা করতে পারবে।

কর্ম-অনুশীলন অংশে দেওয়া কর্মপত্রগুলো নমুনা মাত্র। শিক্ষকগণ তাঁদের বিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধার ভিত্তিতে উল্লেখিত কাজগুলো করাতে পারেন কিংবা নতুন কোনো কাজও দিতে পারেন। তবে নতুন কোনো কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই শিক্ষাক্রমের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বিবেচনায় রাখতে হবে।

Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...